শরণার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতারণার অভিযোগ

| জানুয়ারী 5, 2017 | 0 Comments

telechargementইউরো সংবাদ: জার্মানিতে যারা আশ্রয়ের আবেদন করেন, প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের জনপ্রতি মাসে প্রায় সাড়ে তিনশ’ ইউরো দেয়া হয়৷ এই সুযোগে একজন আশ্রয়প্রার্থী ১২টি ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে প্রায় ৪৫ হাজার ইউরো নিয়েছেন বলে অভিযোগ৷

লোয়ার সাক্সনি রাজ্যের ব্রাউনশোয়াইগ শহর কর্তৃপক্ষের গঠিত একটি বিশেষ কমিশন এই তথ্য দিয়েছে৷ প্রতারণা করে কল্যাণ তহবিল থেকে টাকা নেয়ার ৩০০-র বেশি মামলার তদন্ত করছে কমিশন৷ আশ্রয়প্রার্থীরা এভাবে প্রায় ৩০ থেকে ৫০ লক্ষ ইউরো নিয়েছেন বলে অভিযোগ কমিশনের৷

জার্মান প্রচারমাধ্যম এনডিআর-এ প্রচারিত এক প্রতিবেদন বলছে, অভিযুক্ত আশ্রয়প্রার্থীদের বেশিরভাগই সুদানের৷ ২০১৫ সালে জার্মানিতে আসা আট লক্ষ আশ্রয়প্রার্থীর সঙ্গে তারাও এসেছেন বলে জানিয়েছেন কমিশন প্রধান ইয়র্ন মেমেঙ্গা৷ তিনি বলেন, অতিরিক্ত অর্থ পেতে অভিযুক্তরা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে নিবন্ধিত হন৷ এভাবে একেকজন প্রায় তিন-চার ধরণের পরিচয় ব্যবহার করেন৷ ‘‘কখনো দাঁড়ি গজিয়ে, কখনো চশমা পরে, কখনো চুল ছোট করে একেক সময় একেক শেষ নাম ব্যবহার করেছে তারা,” বলেন মেমেঙ্গা৷

একদিনে একসঙ্গে অনেক শরণার্থী নিবন্ধন করতে হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষে সবকিছু যাচাই বাছাই করা সম্ভব হয়নি৷ মেমেঙ্গা জানান, এমনও সময় গেছে যখন একদিনে দুই হাজার শরণার্থীকে নিবন্ধন করতে হয়েছে৷ ‘‘তখন আমরা শুধু একটা বিষয়ই এড়াতে চেয়েছি – কেউ যেন গৃহহীন না থাকে,” বলেন তিনি৷ সংকটের শুরুর দিকে অনেক শরণার্থীর শুধু ছবি তুলে নিবন্ধন করতে হয়েছে৷ ‘‘আঙুলের ছাপ নেয়া সম্ভব হয়নি,” জানান মেমেঙ্গা৷

‘অ্যাসাইলাম সিকার অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, কোনোআশ্রয়প্রার্থীর দায়িত্ব যদি সরকার পুরোপুরি না নিতে পারে তাহলে তাকে ‘পকেট মানি’ হিসেবে প্রতি মাসে ১৩৫ ইউরো আর ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে ২১৬ ইউরো দেয়া হয়৷ এই হিসেবে একেকজন অভিযুক্ত আশ্রয়প্রার্থী প্রতারণা করে হাজার হাজার ইউরো নিয়েছে৷ ‘‘এভাবে একজন অবৈধভাবে প্রায় ৪৫ হাজার ইউরো নিয়েছেন,” বলেন মেমেঙ্গা৷//dw

Category: 1stpage, Scroll_Head_Line, ইউরো সংবাদ, ইউরো সংবাদ, ইউরো-সংবাদ - German

About the Author ()

Leave a Reply