যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মধ্যে ‘নো-স্পাই’ চুক্তি হচ্ছে না

| নভেম্বর 7, 2013 | 0 Comments

ইউরোবিডি২৪নিউজঃ জার্মানির সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতার সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দু’দেশের মধ্যে আপাতত সুদূরপ্রসারী কোনো ‘নো-স্পাই’ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন ওবামা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেলের ফোনে আড়িপেতেছিল এমন খবর প্রকাশের পর এ সপ্তাহে দুই দেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেন।
এছাড়া গত সপ্তাহে জার্মানির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক সুসান রাইস এবং অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে কীভাবে দু’দেশের গোয়েন্দা সহযোগিতার সম্পর্ক আরও উন্নত করা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা করেছেন।
তবে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক শান্ত থাকার পরও আমেরিকার গোয়েন্দা নজরদারি নিয়ে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ খুঁজে পেতে যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানির কর্মকর্তাদের রীতিমত লড়াই করতে হয়েছে। যদিও এরপরও কোনো চুক্তিতে উপনীত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই সীমিত।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ‘নো-স্পাই’ চুক্তির ব্যাপারে কোনো আলোচনা করছি না। কিন্তু দুই দেশের সমঝোতার ভিত্তিতে সম্পর্কের উন্নতির জন্য আরও কাজ করতে হবে বলে আমরা একমত হয়েছি। এটা যদি আমরা সঠিকভাবে করতে পারি তবে তা আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।’
এনএসএ’র সাবেক কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেনের কাছ থেকে মারকেলের ফোনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আড়িপাতার খবর ফাঁস হওয়ার পর জার্মানির সংবাদমাধ্যমগুলো ভেবেছিল জার্মানি এবার গুপ্তচরবৃত্তির জোটে যেটা ‘ফাইভ আইস’ নামে পরিচিত তার সদস্য হতে চাইবে।‘ফাইভ আইস’ জোটের সদস্যরা হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মধ্যে আলোচনায় হয়তো এমন চুক্তি হতে পারে যে, আমেরিকা মারকেলের মতো শীর্ষ পর্যায়ের জার্মান নেতাদের ওপর আর নজরদারি করবে না এবং অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার কারণে জার্মানির কোম্পানিগুলোতেও আড়িপাতবে না।
এদিকে হোয়াইট হাউস এ বছরের শেষের দিকে এনএসএ’র নজরদারি কার্যক্রম পূর্ণরূপে পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা নিশ্চিত করতে চাইছে যে, এই কার্যক্রমে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারের বিষয়টি যেন সংরক্ষিত থাকে। এনএসএ’র নজরদারি কার্যক্রম ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর বিশ্বব্যাপী সমালোচনার ঝড়ের মুখে পড়তে হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর নেতাদের ওপর নজরদারি বন্ধ করার কথা ভাবছেন।

Category: 1stpage, Scroll_Head_Line, আন্তর্জাতিক, ইউরো সংবাদ, ইউরো সংবাদ, ইউরো-সংবাদ - German, জার্মান, জার্মান, প্রচ্ছদ, শীর্ষ সংবাদ

About the Author ()

Leave a Reply