”আসলে বাংলাদেশ মোটেও একটি নিরাপদ দেশ নয়”- পারভেজ দুকি

| ফেব্রুয়ারী 20, 2013 | 0 Comments

ইউরোবিডি 24নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক ইমরান মাহমুদের সাথে  স্বনামধন্য আইনজীবী ও আর.সি.পি দলের প্রেসিডেন্ট  পারভেজ এ.সি. দুকির  এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ।

ইউরোবিডি24নিউজ: স্যার, আপনি কেমন আছেন?

পারভেজ দুকি: জ্বী, ভাল।

ইউরোবিডি: আমার জানামতে, আপনি একজন স্বনামধন্য আইনজীবী  এবং রিফুজিদের আইনি ব্যাপার নিয়ে আপনার কাজ করার অভিজ্ঞতা অনেক। সেই অভিজ্ঞতা থেকে দয়া করে আমাদের বলবেন কি যে রিফুজিদের অধিকারের বিষয়টিতে কাজ করে আপনি কেমন অনুভব করছেন?

পারভেজ দুকি: এটা আসলে মানুষের জীবনকে বদলে দেবার সংগ্রাম । একজন যখন তার নিজ দেশে বিপদগ্রস্ত কিংবা প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে, অবশেষে সে যখন রিফুজি হবার সুযোগলাভ করে, এটি একজন আইনজীবীর জন্য সত্যিই আনন্দের। তবে, ফরাসী কর্তৃপক্ষের নিকট ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করা সহজ নয় বিশেষ করে তখন, যখন তার কাছে কোন গ্রহনযোগ্য্ প্রমাণ নেই ।

ইউরোবিডি: বিশেষ করে বাংলাদেশী রিফুজিদের নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?

পারভেজ দুকি: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাংলাদেশে খুবই প্রচলিত। প্রায়ই বিরোধীদলকে বিভিন্ন নির্যাতনের   শিকার হতে হয়। এমনও দেখা যায় যে, কারো সাধারণ অপরাধের জন্য তাকে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের দায়ে কিংবা হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়।

ইউরোবিডি:  বাংলাদেশী যেসব রিফুজি ইতোমধ্যে ফ্রান্স সরকারের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেছে, তাদের করণীয় সম্পর্কে কিছু বলুন।

পারভেজ দুকি: বাঙালীদের  সাধারণত যে ভুলটি হয় তা হচ্ছে তাদের আশ্রয় আবেদনটি অসম্পূর্ণ থাকে এবং তাদের তথ্য প্রমাণাদিতে ভুল থাকে । তাদের জন্য ভাল হয়, এমনকি এটা তাদের অধিকার যে, তারা আশ্রয় প্রার্থনার পূর্বে একজন আইনজীবীর সহায়তা নেবেন।

ইউরোবিডি:  আমরা দেখি, ছোটখাটো ভুলের জন্য অনেক আবেদনকারীর আবেদন বাতিল হয়ে যায়। এই ভুলগুলো পরিহার করার জন্য আপনার  বিশেষ কোন পরামর্শ আছে কি? (উদাহরণ: অনুবাদ, উপস্থাপন, প্রমাণপত্র ইত্যাদি)

পারভেজ দুকি: আবেদনকারীর ঘটনাপ্রবাহ অবশ্যই বাস্তবসম্মত এবং যৌক্তিক হতে হবে। অ্যাসাইলাম কর্তৃপক্ষ বা বিচারক ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। ঘটনা সংক্রান্ত প্রমাণাদি খুবই জরুরী। ঘটনা সংক্রান্ত প্রমাণাদি বলতে পুরো ঘটনার বিবৃতিকে বোঝায়।

ইউরোবিডি: যেসব বাংলাদেশীদের আবেদন নামঞ্জুর হচ্ছে,  আপনার মতে,  তার উল্লেখযোগ্য কারণগুলো কি কি?

পারভেজ দুকি: প্রায় ক্ষেত্রেই একই কেস দেখা যায়। উদাহরণস্বরুপ, বেশিরভাগ আশ্রয়প্রার্থী বলে থাকে, তাদের বাবা একজন স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি বিরোধীদলের হাতে নিহত হন। বর্তমানে তার ছেলে (আশ্রয়প্রার্থী) পারিবারিক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং সে একই বিরোধীদলের দ্বারা ফান্ড লুটের ‍শিকার। রাজনীতিতে জড়িত থাকার কারণে বিরোধীদল তাকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে ইত্যাদি। কিন্তু যখন তাকে তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় তখন সে যথাযথ বিবরণ ও তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়।

ইউরোবিডি: CNDA থেকে প্রথমবার আবেদন নামঞ্জুর হবার পর অনেকে রি-আপিল করার উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। এই ব্যাপারে আপনার অভিজ্ঞতা কি বলে, CNDA থেকে পুনরায় আপিল করার পর পজিটিভ ফলাফলের সম্ভাবনা কতটুকু?

পারভেজ দুকি: কেউ কেস হারার পর যদি সে আবার নতুন কোন ঘটনার শিকার হয় তবে সে তার ফাইল পুন:নিরীক্ষণের জন্য ন্যাশনাল কোর্ট অব অ্যাসাইলামে আবেদন করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, ফরাসী কর্তৃপক্ষ যদি তাকে এ দেশ ত্যাগ করবার আদেশ দেয় তবে সে এই সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক ট্রাইবুনালে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে। ট্রাইবুনাল যদি বিবেচনা করে যে তার সাথে তার নিজদেশে কোন অমানবিক আচরণ ঘটতে পারে তবে সে আবার ন্যাশনাল কোর্টে তার কেসটি পুন:বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবে।

ইউরোবিডি: ২০১১ সালের ২রা ডিসেম্বর OFPRA বাংলাদেশকে নিরাপদ রাষ্ট্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। গত ১১ জানুয়ারী, ২০১৩ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নিরাপদ রাষ্ট্রের তালিকা থেকে মালি, কসোবো ও আলবেনিয়াকে বাদ দিলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের নামটি ঐ তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়নি।

OFPRA- এর মতে নিরাপদ রাষ্ট্রের সংজ্ঞা হল: “A country will be considered safe, if it ensures compliance with the principles of freedom of democracy and the rule of law as well as the human rights   and fundamental freedoms.”

ওপরের নিরাপদ রাষ্ট্রের সংজ্ঞানুসারে এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট অনুসারে বাংলাদেশকে নিরাপদ রাষ্ট্রের তালিকায় অর্ন্তভুক্তি আপনি কতটা যৌক্তিক মনে করেন?

পারভেজ দুকি: আসলে বাংলাদেশ মোটেও একটি নিরাপদ দেশ নয়। বাংলাদেশকে নিরাপদ দেশের তালিকায় রাখার সিদ্ধান্তটি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যাতে বাংলাদেশীরা ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার ব্যাপারে নিরুৎসাহী হয়। আইনত, নিরাপদ দেশ বলতে সেই দেশকে মনে করা হয় যে দেশে স্বাধীনতার মূলনীতি, গণতন্ত্র, আইনের শাসনের পাশাপাশি মানুষের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করা হয়। ন্যাশনাল কোর্ট বাংলাদেশীদের আশ্রয় ‍দিচ্ছে, অর্থাৎ তারা আশ্রয়প্রার্থীর জন্য বাংলাদেশকে ঝুকিঁপূর্ণ মনে করছে। ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতেও বাংলাদেশকে নিরাপদ মনে করা হয়না। বাংলাদেশ নিরাপদ দেশ হিসেবে বিবেচিত হবে কিনা তা ফ্রান্স সুপ্রিম কোর্টে বিবেচনাধীন রয়েছে। খুব শীঘ্রই সুপ্রীম কোর্ট এর সিদ্ধান্ত দেবে। আমরা আইনত আশা করতে পারি যে, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে আর নিরাপদ দেশ বলে ভাবা হবে না।

ইউরোবিডি: ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে নিরাপদ রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেবার জন্য ফ্রান্সে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা বিভিন্ন সভা, মানববন্ধন, রোডমার্চ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। এছাড়া আপনি কি মনে করেন, এ বিষয়ে ফ্রান্স আদালতের নিকট আপিল করা যেতে পারে কি? অথবা অন্য কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?

পারভেজ দুকি: আমি মনে করি, এ ব্যাপারে গত মে-জুন নির্বাচনে গঠিত ফ্রান্সের নতুন রাজনৈতিক দলের সতর্ক হওয়া উচিৎ। আপনি যেসব পদক্ষেপ উল্লেখ করেছেন তা পূর্ববর্তী সরকার আমলে ঘটেছে।

ইউরোবিডি: গত ২৮ নভেম্বর, ২০১২ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সারকুলারে অবৈধ অভিবাসীদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বৈধ করার কিছু নিয়ম উল্লেখ করা হয়। যা নিয়ে ইতোমধ্যে বিরোধীদল ওলাঁদ সরকারের অভিবাসী নীতির সমালোচনা করেছে। আপনি কি মনে করেন বিরোধী দলের বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত এ আইনটি পাশ হবে? হলে কবে নাগাদ হতে পারে?  এ আইনটি পাশ হলে বিশেষ করে বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীরা কোন ক্যাটাগরিতে বৈধ হতে পারবে?

পারভেজ দুকি: অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয় কিছু নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এটি মূলত তাদের জন্য যারা পরিবারসহ বসবাস করছে, যাদের স্কুল পড়ুয়া সন্তানাদি রয়েছে এবং যারা কাজ করেছেন বা করছেন। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও কিছু নতুন আইন আসবে।

ইউরোবিডি: এদেশের বিভিন্ন সংস্থা ইতোমধ্যে সারকুলারটিকে “RED TAPE” বা “শুভঙ্করের ফাঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ বিষয়ে আপনি কি মনে করেন?

পারভেজ দুকি: কোন ধরনের নতুন আইন ছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার এটিই একমাত্র উপায়। এছাড়াও এটি দ্রুততর উপায়।

ইউরোবিডি: এদেশে সাধারণ অভিবাসী ও রিফুজিদের নাগরিকত্বের আবেদন করতে হলে কি কি শর্ত পূরণ করতে হবে?

পারভেজ দুকি: প্রধান শর্তটি হচ্ছে আবেদনের পূর্বে অন্তত এক বৎসর বৈধ ও স্থায়ী কোন কাজের সাথে যুক্ত থাকতে হবে। এছাড়াও তাকে অপরাধ তালিকামুক্ত ব্যাক্তি হতে হবে।

ইউরোবিডি: এবার একটু ‍ভিন্ন প্রসঙ্গ, আমরা জানি, আপনি মরিশাসে RCP (Ralliement citoyen pour la patrie) নামক একটি পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং আপনি এ পার্টির প্রধান। আমার প্রশ্ন হচ্ছে আপনি ফ্রান্সে পার্টি না করে মরিশাসে কেন করলেন? আর মরিশাসের সাথে আপনার সম্পর্কটা কিরকম?

পারভেজ দুকি: মরিশাসের রাজনৈতিক নেতৃত্বে নতুনত্বের প্রয়োজন। মরিশাসের বর্তমান যিনি প্রধানমন্ত্রী তার বর্তমান বয়স ৮২ এবং তিনি বহু বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ১২ বৎসরেরও অধিক সময় যাবৎ ক্ষমতায় আছেন এবং এর আগে তার বাবা দায়িত্বে ছিলেন।

ইউরোবিডি: আপনার পার্টির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আমাদের বলবেন কি?

পারভেজ দুকি: এই পার্টি সাধারণ জনগণের জন্য, আলালের ঘরের দুলালদের জন্য নয় কেননা এটি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের জন্য দৃষ্টান্ত। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতি চাই। আমরা একটি উন্নত, দুর্নীতিমুক্ত এবং প্রগতিশীল মরিশাসের জন্য লড়াই করে যাচ্ছি।

ইউরোবিডি:  ইউরোবিডির পাঠকদের জন্য আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আবারও  অভিবাসী ও রিফুজিদের আইনের বিভিন্ন বিষয় এবং আপনার পার্টির অগ্রগতি নিয়ে কথা হবে। আপনার সুস্থতা কামনায় ইউরোবিডি24নিউজ।

পারভেজ দুকি: অনেক ধন্যবাদ এবং বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা।

English Version:

EXCLUSIVE INTERVIEW WITH PARVEZ A.C. DOOKHY THE RENOWNED LAWYER AND THE PRESIDENT OF RCP.

THIS INTERVIEW HAS BEEN TAKEN BY IMRAN MAHMUD EDITOR AND PUBLISHER OF EUROBD24NEWS

EUROBD24NEWS: Sir, how are you?

PARVEZ DOOKHY: Yes, I am Well.

EUROBD: As far I know, you are a renowned lawyer and you have a lot of experience in working on the legal issues of refugee people. From that experience, will you please tell us that how do you feel working on refugee’s right?

P. DOOKHY: It’s fighting for changing people’s life. Someone who is in danger in his country, sometimes escaping death, and when he finally obtains the refugee status, this is great for a lawyer. It’s not easy to establish before French authorities the fact and the truth, especially when you don’t have any evidence.

EUROBD: Specially, what type of experience you gathered working on Bangladeshi refugee?

P. DOOKHY: Political persecution is very well disguised inBangladesh. Often a political opponent will suffer reprisals in a legal way. He will be charged for an ordinary crime: possession of firearms or for having committed a murder.

EUROBD: Please tell us that the Bangladeshi refugee who have already asked for shelter toFrance government, what should they do?

P. DOOKHY: Common mistakes from Bangladeshis are that their asylum claim is not fully prepared and that they bring wrong evidence. It’s much better, and it’s their right, to retain the service of a lawyer first before claiming asylum.

EUROBD: Often we see that many applicants application is getting cancelled for silly mistakes. Do you have any advise for them that how they can avoid these mistakes? (Example: Translation, Presentation, Certificate etc)

P. DOOKHY: The story they put forward should be very rational and logical. The asylum authority or the judge will question the rationality of the story. Circumstantial evidence is very important. Circumstantial evidence is what is around the whole story.

EUROBD: Sir, can you tell us that what are the mentionable reasons of cancellation of application of Bangladeshi refugee?

P. DOOKHY: Often cases look similar. For example, most of them are saying that their farther was a political local figure, that he has been killed by his opponents, the son (asylum seeker) is now in charge of the family business, he is victim of fund extortion from the same opponents, he has been charged criminally because of his political engagement etc. But when he is questioned about his political activities, he will fail to give proper details and information.

EUROBD: Often people lose their interest after being refused for the first time from CNDA. What your experience says on this matter that how much possibility of getting positive result after re-appeal?

P. DOOKHY: Anybody who has lost his case before the National Court of Asylum may ask for the re-examination of his file if after the decision of the court there any new substantial fact is occurred against him. Secondly, if the French authorities have asked him to leave the country, then he can also challenge that decision before the administrative tribunal. If the tribunal considers that there are risks of inhuman treatment if he goes back to his country, then he may ask for the national court to reconsider his case again.

EUROBD: In 2nd December, 2011, OFPRA added Bangladesh in the list of Safe countries. Last 11th January, 2013 a circular from ministry of home affairs cancelledMali, Kosovo & Albania from the list of safe countries but unfortunately,Bangladesh were not cancelled from that list.

According to OFPRA, the definition of a safe country is

“A country will be considered safe, if it ensures compliance with the principles of freedom of democracy and the rule of law as well as the human rights   and fundamental freedoms.”

According to the definition of a safe country, how much logical it is to considerBangladeshas a safe country?

P. DOOKHY: In fact,Bangladesh is not a safe country at all. When theNational Court awards asylum status to a Bangladeshi, it means that the Court considers that there are risks for him to go back. AndBangladesh is not considered as a safe country in other European countries. That question is now pending before the Supreme Court inFrance which will consider whether legallyBangladesh can be considered as a safe country.

EUROBD: Bangladeshi people who are living in this country already have taken action to cancel Bangladesh from the list of safe countries by participating in meetings, chain human, road march and submitting memorandum to the ministry of home affairs & parliament. What do you think, is it possible to appeal to the French court on this matter? Otherwise, what else can be done for it?

P. DOOKHY: I think that the new political authorities ofFrance, which came to power after May-June elections, should be alerted again on this issue. The claims you referred to were made to the previous Government.

EUROBD: In last 28th November,2012 a circular of ministry of home affairs published some rules and regulations of converting the illegal immigrants to legal in various category. For this reason, Hollande government’s rule on immigration policy was criticized by the opposition party. Do you think, at last it will be possible to pass the circular as a law in spite of oppositions strong obstacle? If it is possible then when it will become law? If the law is passed then in which category the Bangladeshi illegal immigrants will be legal?

P. DOOKHY: The Minister has issued some guidelines to legalise illegal immigrant. Those who are concerned are mainly immigrants living with a family, having children going to school, those who have worked or are working legally. There will be some new laws in the future on the same basis.

EUROBD: In the mean time, many of organizations in this country mentioned the circular as “Red tape”. What is your opinion about this fact?

P. DOOKHY: It’s the only way to legalise immigrant without a new law. It’s much quicker this way.

 

EUROBD: What conditions are needed to be fulfilled by the general and refugee immigrants for applying citizenship inFrance?

P. DOOKHY: The main condition is to have a proper and stable job for at least one year prior to the application. And of course the applicant must have a clean criminal record.

EUROBD: Now, a different topic….

We know that you have established a political party named “RCP (Ralliement citoyen pour la patrie)” inMauritiusand you are the president of the party. My question is why do you established the party inMauritiusinstead ofFrance? What is your attachment withMauritius?

P. DOOKHY: Mauritius needs a genuine renewal of political leadership. The current shadow PM is 82 and has been PM for many years. The PM himself is in power for more than12 years. Before it was his father.

EUROBD: Please tell us the aim and object of your party for the kind information of our readers of EUROBD24NEWS.

P. DOOKHY: The party is composed of common citizens ofMauritius and not daddy’s boys as it’s the case with other political parties. We want politics to be democratised. We are fighting for a betterMauritius, clean of corruption and moving forward.

EUROBD: Thank you so much for spending your valuable time for the readers of EUROBD24NEWS. We hope in future again we will discuss about various topics on immigration and refugee law ‍and about the progress of your party. EUROBD24NEWS wishes your well-being.

P. DOOKHY: Thank you very much. And all the best forBangladesh.

Category: এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ

About the Author ()

Leave a Reply